আন্তর্জাতিক: মে ২৬: চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় বেইজিংয়ের গণমহাভবনে, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার ভুচিচকে মৈত্রী পদকে ভূষিত করেন।
এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সি চিন পিং বলেন, প্রেসিডেন্ট ভুচিচ দীর্ঘকাল ধরে চীন-সার্বিয়া বন্ধুত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে জোরালোভাবে কাজ করেছেন, এবং তিনি চীন-সার্বিয়া ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের একজন সক্রিয় নির্মাতা ও দৃঢ় রক্ষক। চীনের মূল স্বার্থ ও প্রধান উদ্বেগের বিষয়গুলোতে, ভুচিচ ধারাবাহিকভাবে চীনকে সবচেয়ে দৃঢ় ও সুস্পষ্ট সমর্থন দিয়ে, চীনের জনগণের শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
বর্তমানে, চীন ও সার্বিয়ার মধ্যে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা অটল, বাস্তবসম্মত সহযোগিতা ফলপ্রসূ, এবং দুই দেশের বন্ধুত্ব জনগণের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রোথিত।
সি চিন পিং আরও বলেন, মৈত্রী পদক হলো গণপ্রজাতন্ত্রী চীন কর্তৃক বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক। এই পদকটি শুধু চীন-সার্বিয়া বন্ধুত্বে প্রেসিডেন্ট ভুচিচের অবদানকেই স্বীকৃতি দেয় না, বরং নতুন যুগে চীন-সার্বিয়া অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনের জন্য উভয় দেশের জনগণের আন্তরিক প্রত্যাশাকেও মূর্ত করে তোলে। চীন ও সার্বিয়ার বন্ধুত্ব রক্ত ও অগ্নিতে পোক্ত হয়েছে এবং বর্তমান উত্তাল আন্তর্জাতিক আবহে তা আরও বেশি মূল্যবান। চীন ও সার্বিয়ার জনগণ স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরশীলতার প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় অটল, এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারকে দৃঢ়ভাবে সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পদক পেয়ে ভুচিচ চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তিনি সার্বিয়ার জাতি ও জনগণের পক্ষ থেকে এই পদক গ্রহণ করেছেন। এটি তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং এই পদকটি কেবল তাঁর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানই নয়, বরং সার্বিয়ার সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও উন্নয়নের সাধনারও একটি স্বীকৃতি।
তিনি আরও বলেন, চীন সর্বদা ছোট দেশগুলোকে সম্মান করে এসেছে এবং সার্বিয়ার উন্নয়নে সহায়তা করে কঠিন সময়ে সার্বীয় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। সার্বিয়া চীনের সমর্থন ও সহায়তা কখনও ভুলবে না। চীনের সাথে দু’দেশের অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে তিনি কাজ করে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট।
সূত্র:রুবি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।