| কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নের গতি এবং এর প্রয়োগের ক্ষেত্রে চীন বিশ্বে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা চলাকালে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা+’ কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা হবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহারিক প্রয়োগ বাড়ানো হবে। ৩ নভেম্বর (মঙ্গলবার) চীনের জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শিল্প খাতে চীন ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি উন্নত পর্যায়ের স্মার্ট কারখানা গড়ে তুলেছে। কৃষি খাতে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং কৃষিজমির ব্যবস্থাপনা আরও নিখুঁত হয়েছে।সেবা খাতে অর্থায়ন, সরবরাহ-ব্যবস্থা ও বৈদেশিক বাণিজ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। বুদ্ধিমান এজেন্টগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তি যাচাই, শুল্ক ঘোষণা, কর প্রদান এবং বিমা দাবি যাচাইসহ বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন ধরনের কার্যক্রম ও বাণিজ্যিক মডেলের বিকাশ ঘটছে।এ ছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা রোগ শনাক্তকরণের ব্যয় ও প্রবেশের বাধা অনেক কমিয়ে দিয়েছে। চীনে ইতোমধ্যে ৮ হাজারের বেশি প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান ক্লাউডভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইমেজিং সেবার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এতে রোগ শনাক্তকরণের দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ
|