আন্তর্জাতিক: ২০২৬ সালের ‘অভিযোগের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংস্কার-উদ্যোগের অংশ হিসেবে নির্মিত, প্রামাণ্যচিত্র ‘ইয়োর ভয়েস ২’ ১১ অক্টোবর বেইজিংয়ে প্রদর্শিত হয়।
বেইজিং পৌর সরকার, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি), এবং চায়নিজ একাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর কর্মকর্তারা এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও, প্রায় ৪৫০ জন অতিথি এতে অংশগ্রহণ করেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন কয়েকটি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন শহরের নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধানগণ, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিতগণ, ‘অভিযোগের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক ব্যবস্থার মাঠপর্যায়ের কর্মীবৃন্দ।
দুই বছর আগে, সিএমজি প্রযোজিত ‘ইয়োর ভয়েস’ প্রামাণ্যচিত্রে, বেইজিং-এর ‘১২৩৪৫’ হটলাইনে প্রাপ্ত নাগরিক-কলগুলোকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে, ‘অভিযোগের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংস্কারকে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে বেইজিং-এর উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। মুক্তির পর প্রামাণ্যচিত্রটি ৮ কোটি ইউয়ানের বেশি আয় করে, যা একটি রেকর্ড। এটি নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মতো শহরগুলোতেও প্রদর্শিত হয় এবং গোল্ডেন রুস্টার অ্যাওয়ার্ডসে সেরা তথ্যচিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার জিতে নেয়।
এর সিক্যুয়েল হিসেবে, ‘ইয়োর ভয়েস ২’ প্রায় এক বছর ধরে চিত্রায়িত হয়, যেখানে প্রায় ৫০০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয় এবং সমাজের সর্বস্তরের প্রায় ১০০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এটি একটি আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এবং বাস্তবসম্মতভাবে নগর সংস্কার ও উদ্ভাবনের অগ্রগতি তুলে ধরে। সম্পূর্ণ প্রামাণ্যচিত্রটি বর্ণনাহীন এবং বিশুদ্ধ তথ্যচিত্র, যেখানে কেবল ক্যামেরা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কণ্ঠস্বরই নিজেদের কথা বলে। একাধিক প্রাণবন্ত ও হৃদয়স্পর্শী সত্য ঘটনার মাধ্যমে প্রামাণ্যচিত্রটি নগর-উন্নয়নের ফলে সৃষ্ট সাধারণ প্রতিবন্ধকতাগুলো তুলে ধরে, চীনের "জনগণের দ্বারা ও জনগণের জন্য নির্মিত জনগণের শহর"-এর গল্প বলে, এবং বিশ্বব্যাপী নগর শাসনের জন্য ‘১২৩৪৫’ হটলাইন ও "অভিযোগের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া" সংস্কারের গভীর প্রভাব ও মূল্যবান তাৎপর্য প্রদর্শন করে।
সূত্র: রুবি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ