মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২৬
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   আন্তর্জাতিক
সাংস্কৃতিক বিনিময়ে নতুন মাত্রা যোগ করল ‘পান্ডার সঙ্গে চীন ভ্রমণ`
  Date : 07-07-2026
Share Button

আন্তর্জাতিক: সম্প্রতি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্য থেকে বিশেরও বেশি কিশোর-কিশোরী সিচুয়ানে এসে ‘পান্ডার সাথে চীন ভ্রমণ’ চীন-মার্কিন যুবকদের মিথস্ক্রিয়া ও বিনিময় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। তারা জাতীয় সম্পদ পান্ডার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হয় এবং পাশু অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও শহরের দৃশ্যাবলী উপভোগ করে। হাঁটা ও আদান-প্রদানের মাধ্যমে তারা একটি বাস্তব, ত্রিমাত্রিক এবং প্রাণবন্ত চীনকে স্পর্শ করে।

ছেংতু পান্ডা প্রজনন গবেষণা কেন্দ্রে প্রবেশ করেই নিষ্পাপ ও সুন্দর পান্ডাগুলো সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। জনপ্রিয় পান্ডা "হুয়াহুয়া"-এর সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীরা ছবি তোলে এবং পর্যবেক্ষণে সময় কাটায়, ঘনিষ্ঠভাবে এই জাতীয় সম্পদের চঞ্চলতা ও সৌন্দর্য উপলব্ধি করে। মার্কিন যুবক ইভা অ্যাঞ্জেলিক বেক উত্তেজিত হয়ে বলেন, "এটাই আমার প্রথমবার পান্ডা দেখা, যা আমার কল্পনার চেয়েও ছোট ও চঞ্চল।" প্রথমবার পান্ডার সাথে সাক্ষাৎকারী শিক্ষার্থীরা তাদের আনন্দ লুকাতে পারেনি।

পান্ডার গাছে চড়ে খেলাধুলা করার প্রাণবন্ত দৃশ্য দেখে তাদের পান্ডা সম্পর্কে আগের ধারণা সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং তারা প্রকৃতির এই প্রাণীদের অনন্য সৌন্দর্য অনুভব করে।
এই কার্যক্রম পান্ডা সংস্কৃতিকে সেতুবন্ধন হিসেবে ব্যবহার করে মার্কিন যুবকদের একটি নিমগ্ন সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা দেয়। তারা নিজের হাতে পান্ডার খাবার তৈরি করে, চীনা শৈলীর পান্ডার হাতপাখা আঁকে এবং পান্ডার ছায়াপুতুল খোদাই করে। অবৈষয়িক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এই হাতে-কলমে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তারা চীনা ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের সূক্ষ্মতা উপলব্ধি করে। সহজ প্রক্রিয়া এবং প্রাণবন্ত চীনা শৈলীর উপাদান বিদেশি যুবকদের চীনা ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির অনন্য সৌন্দর্য সহজেই বুঝতে সাহায্য করে। মার্কিন যুবক জেসি বাউম নিজের হাতে তৈরি পান্ডার ছায়াপুতুল দেখে ঐতিহ্যবাহী ছায়াপুতুল শিল্পের প্রতি গভীর মুগ্ধতা প্রকাশ করে এবং বলে যে এই প্রাচীন শিল্পকে "জীবন্ত" করার পদ্ধতি অত্যন্ত চমকপ্রদ, যা তাকে আরও গভীরভাবে শিখতে আগ্রহী করে তুলেছে।

নিমগ্ন সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি, শিক্ষার্থীরা ছেংদুর গলিতে ঘুরে বেড়ায় এবং সিচুয়ানের প্রাচীন ও আধুনিক মিলনময় শহুরে পরিবেশ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে। আধুনিক বিশাল স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত শহরের দৃশ্য এবং জীবনের প্রাণচাঞ্চল্য ও মানবিক ঐতিহ্যে ভরপুর পরিবেশ প্রথমবার চীন সফরে আসা কিশোর-কিশোরীদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তারা সবাই মনে করে যে, সিচুয়ানে প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রাণশক্তি উভয়ই বিদ্যমান এবং স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা ও বন্ধুত্ব এই যাত্রাকে আরও উষ্ণ ও স্মরণীয় করে তুলেছে।

চীন-মার্কিন যুবক শিক্ষার্থী বিনিময় সমিতির সভাপতি চৌ শুছি বলেন, তরুণদের জ্ঞান অর্জনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও নিজের চোখে দেখা। মার্কিন যুবকদের চীনে এসে সরাসরি অংশগ্রহণ এবং মুখোমুখি আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রকৃত আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব অর্জন করতে দেওয়া উচিত। এই অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি তাদের দীর্ঘমেয়াদী বিকাশে সঙ্গী হবে।

জানা গেছে, "পান্ডার সাথে চীন ভ্রমণ" চীন-মার্কিন যুবকদের মিথস্ক্রিয়া ও বিনিময় কার্যক্রম চায়না মিডিয়া গ্রুপ এবং চীন-মার্কিন যুবক শিক্ষার্থী বিনিময় সমিতি যৌথভাবে আয়োজন করে। এই কার্যক্রম যুবকদের সেতু এবং সংস্কৃতিকে বাহক হিসেবে ব্যবহার করে, অনুভবযোগ্য, দৃশ্যমান এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিনিময় পদ্ধতির মাধ্যমে চীন-মার্কিন যুবকদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব কমিয়ে আনে, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ঐক্যমত জোরদার করে এবং চীন-মার্কিন সম্পর্কের সুস্থ বিকাশে একটি উষ্ণ ও স্থায়ী যুবশক্তি যোগায়।

সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।



  
  সর্বশেষ
সি চিন পিংয়ের ১৯০টির বেশি বক্তৃতা ও লেখার ভিত্তিতে নতুন প্রবন্ধ সংকলন প্রকাশ
১৫০টিরও বেশি দেশ-অঞ্চলে চীনের রোবট রপ্তানি, আয় প্রায় ২০ বিলিয়ন ইউয়ান
পণ্য থেকে সমাধান: ‘বিশ্ব কারখানা` থেকে বৈশ্বিক সমাধানদাতার পথে চীন
সাংস্কৃতিক বিনিময়ে নতুন মাত্রা যোগ করল ‘পান্ডার সঙ্গে চীন ভ্রমণ`

প্রকাশক ও সম্পাদক : ফাতেমা ইসলাম তানিয়া
সম্পাদক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরেরপুল ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ।
২১৯ ফকিরেরপুল (১ম গলি ২য় তলা), মতিঝিল ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত । মোবাইল : ০১৮৩৪-৮৯৮৫০৪ ই-মেইল :
E-mail : alordiganto2021@gmail.com