মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬
  
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   সারাবাংলা
রংপুরে বেড়েছে পেঁয়াজ-মরিচের দাম
  Date : 12-05-2026
Share Button

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচসহ শাক-সবজির দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে আদা-রসুনের। তবে সামান্য দাম কমেছে পোলট্রি মুরগি ও ডিমের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

মঙ্গলবার (১২ মে) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৬০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজের দামও প্রতিকেজিতে বেড়েছে। গত সপ্তাহের ৩০-৩৫ টাকা দরের পেঁয়াজ আজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা।

এদিকে দেশি আদা ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা, আমদানি করা আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৩০-১৪০ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, গাজর ৮০-১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০-১৪০ টাকা, কাঁকরোল গত সপ্তাহের মতোই ৭০-৮০ টাকা, ঝিংগা ৬০-৭০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০-৪০ টাকা, দুধকুষি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬৫-৭০ টাকা, সজনে ১৪০-১৬০ টাকা, শসা আগের মতো ৭০-৮০ টাকা, লেবুর হালি ১৫-২০ টাকা, চিকন বেগুন ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০, করলা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা, কচুরলতি আগের মতোই ৭০-৮০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতার দাম কমে ৮০-১০০ টাকা, শাকের আঁটিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

এরমধ্যে লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা, পুঁই শাক ৩০-৩৫ টাকা, সবুজ শাক ১৫-২০ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, পাটশাক ১৫ টাকা ও ডাটা শাক ২৫-৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু ১৬-১৮ টাকা, সাদা আলু ২০-২৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ৩০-৩৫ টাকা এবং ঝাউ আলু ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ধাপ বাজারের সবজি বিক্রেতা কবীর হোসেন বলেন, এখন অনেক সবজির মৌসুম শেষ হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির প্রভাব পড়ায় দাম চড়া।

মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকা থেকে কমে ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩২০-৩৩০ টাকা থেকে কমে ৩০০-৩১০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালির দাম সামান্য কমে হয়েছে ৪৬-৪৮ টাকা। বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০- থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম সামান্য কমলেও তা সন্তোষজনক নয়। দাম বাড়লে বিক্রি কম হয়। কোরবানির ঈদের আগে আরও দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৫-২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০০-১০৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫০-৫৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।



  
  সর্বশেষ
জাতিসংঘে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে নিখোঁজ ২ মাদরাসা ছাত্রের লাশ উদ্ধার
দিনাজপুরে ছেলের হাতে বাবা ও ভাই খুন
আরো দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

প্রকাশক ও সম্পাদক : ফাতেমা ইসলাম তানিয়া
সম্পাদক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরেরপুল ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ।
২১৯ ফকিরেরপুল (১ম গলি ২য় তলা), মতিঝিল ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত । মোবাইল : ০১৮৩৪-৮৯৮৫০৪ ই-মেইল :
E-mail : alordiganto2021@gmail.com