সম্প্রতি বেইজিংয়ে, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-এর চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দেন, বতসোয়ানার প্রেসিডেন্ট ডুমা বোকো।চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে, বোকো ১২ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চীন সফর করেন। সফরকালে তিনি ফুচিয়ান প্রদেশের নিংত্যেতে দারিদ্র্যবিমোচন বিষয়ক প্রদর্শনী দেখেন। বেইজিংয়ে তিনি চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র ইতিহাসের প্রদর্শনী হলও ঘুরে দেখেন।
তাঁর এবারের সফর সম্পর্কে তিনি সিজিটিএনকে বলেন, চীনা জনগণের আত্মবিশ্বাস, তাদের গভীর ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের মধ্যে নিহিত। ঐক্য ও সহযোগিতার চেতনা চীনের সমগ্র ইতিহাসজুড়ে পরিব্যাপ্ত রয়েছে। এবারের সফরকালে আমি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দু’দেশের সম্পর্ককে একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কে উন্নীত করেছি। উভয় দেশই এই অংশীদারিত্বকে কাজে লাগিয়ে সহযোগিতার সুযোগ প্রসারিত করতে পারে।
তিনি বলেন, তাইওয়ানের সমস্যায় আমরা বরাবরই ‘এক-চীন নীতিতে’ অবিচল থাকব। চীনের ভূখণ্ডকে বিভক্ত করা বা চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘এক-চীন নীতি’র লঙ্ঘন।
চীন-আফ্রিকা সম্পর্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, চীন ও আফ্রিকার মধ্যকার সম্পর্ক পারস্পরিকভাবে লাভজনক। চীনের সাথে অংশীদারিত্ব স্থাপনের মাধ্যমে, আফ্রিকা চীনের অগ্রণী প্রযুক্তি আমদানি করে স্থানীয় প্রয়োগের জন্য সেটিকে অভিযোজিত করতে পারে, যা আফ্রিকার দেশগুলো ও চীন উভয়ের জন্যই ব্যাপক সুবিধা বয়ে আনবে।
তিনি আরও বলেন, সি চিন পিংয়ের প্রস্তাবিত চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ হলো সম্প্রীতিময় বিশ্ব গড়ে তোলার মূল স্তম্ভ। আমরা এর সাথে দৃঢ়ভাবে একমত। আমরা চীনের উন্নয়নের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চাই।
সূত্র: ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ