বগুড়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল আধুনিকায়নে বাধা দূর করতে চারমাথা এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে সিটি করপোরেশন। এতে টার্মিনালের সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশমুখে গড়ে ওঠা প্রায় অর্ধশতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং কয়েকটি সংগঠনের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলম বাবু।
জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের রেসিডেন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইউটিডিপি)-এর আওতায় আনুমানিক ৬ একর জমিতে বগুড়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালকে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী পুরো জমির মূল অবকাঠামো দৃশ্যমান করতেই এই উচ্ছেদ চালানো হয়। অভিযান শুরুর আগে মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনার মালিকদের মালপত্র সরিয়ে নিতে আধঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। এরপর বেলা ১১টার দিকে তিনটি এক্সক্যাভেটর নিয়ে মূল উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
টার্মিনালের মসজিদ সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে মহাসড়কের প্রবেশমুখ পর্যন্ত গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সিম্ফনি মোবাইলের শোরুম, আকবরিয়া সুইটস ও এশিয়ান দই ঘরসহ একাধিক আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বগুড়া জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম আরফান জানান, সিটি করপোরেশনের নোটিশের ভিত্তিতে তারা শুরু থেকেই এই অভিযানে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছেন। পর্যাপ্ত সময় পাওয়ায় বেশিরভাগ ব্যবসায়ী নিজেরাই মালামাল সরিয়ে নিতে পেরেছিলেন।
সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলম বাবু জানান, বারবার মাইকিং ও নোটিশ দেওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন। ফলে