কামরুল হাসান: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে সিলেটে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস ফিরে এসেছে।
প্রবাসীবান্ধব বিমান যোগাযোগ জোরদার এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে পুনরায় চালু হওয়া এ ফ্লাইটকে সিলেট অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ উপলক্ষে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যানচেস্টার থেকে আগত যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা এমপি। তিনি যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, বিমানবন্দরের সেবার মান এবং তাদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শোনেন। একই সঙ্গে বিদেশফেরত যাত্রীদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, সরকার আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণ, যাত্রীসেবা উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বৃহৎ সিলেটি প্রবাসী জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে ম্যানচেস্টার-সিলেট সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে, যা তাদের যাতায়াতে সময়, ব্যয় ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে।
তিনি আরও বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আরও আধুনিক, যাত্রীবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু, বিদ্যমান রুট সম্প্রসারণ এবং বিমানবন্দরের অবকাঠামো ও সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশের বিমান পরিবহন খাতকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
আগত যাত্রীরাও সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় যাত্রা অনেক সহজ ও আরামদায়ক হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ সেবা নিয়মিতভাবে চালু থাকবে বলে তারা আশা করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ম্যানচেস্টার-সিলেট সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে পর্যটন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতের বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করবে।